Welcome to NaCaZo

আমি ১৫ বার ব্যর্থ হয়েছি, তবুও পেয়েছি আমার স্বপ্নের চাকরি

Featured Image

যখন তুমি সবকিছু ঠিকভাবে করছো, তবুও একের পর এক “ধন্যবাদ, কিন্তু না” শুনতে হচ্ছে—তখন সেই অনুভূতিটা বোঝানো খুব কঠিন। আরও কঠিন হলো সেই আত্মবিশ্বাসের উপর প্রভাবটা বোঝানো, যখন তুমি অনেক বছর ধরে পরিশ্রম করে ডিগ্রি অর্জন করেছো, দক্ষতা গড়ে তুলেছো, আর নিজের পোর্টফোলিও বানিয়েছো।

কিন্তু একটা কথা—ব্যর্থতা শেষ নয়। এটা পুরো প্রক্রিয়ার একটা অংশ।

যখন আমি গ্র্যাজুয়েশনের পর চাকরির জন্য আবেদন করা শুরু করলাম, তখন আমার অনেক বড় স্বপ্ন ছিল। আমি জানতাম আমার দক্ষতা আছে। আমি জানতাম আমি অবদান রাখতে পারবো। কিন্তু আমি জানতাম না কতগুলো “না” শুনতে হবে একটা “হ্যাঁ” পাওয়ার আগে।

১৫ বার ব্যর্থ হওয়ার পর আমি ভাবতে শুরু করেছিলাম—এই পথটা কি আমার জন্য ঠিক? তবুও আমি থামিনি। এবং আমি খুশি যে থামিনি। কারণ আজ আমি এমন একটা চাকরিতে আছি যেটা আমি সত্যিই ভালোবাসি।


প্রথম দিকের ব্যর্থতা: “কেন কিছু হচ্ছে না?” 

প্রথম কয়েকটা “না” খুব বেশি কষ্ট দেয়নি। বুঝেছিলাম—এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু যখন সংখ্যা বাড়তে লাগল, তখন নিজেকে নিয়ে সন্দেহ শুরু হলো। আমার রেজুমে ঠিক ছিল। প্রজেক্ট ছিল দেখানোর মতো। গ্রেড ভালো ছিল, রেফারেন্সও ছিল। তবুও কিছুই হচ্ছিল না।

প্রথম ৫টা ব্যর্থতা একেবারে দ্রুত এসেছিল। তখন ভাবলাম, “হয়তো আমি ভুল জায়গায় খুঁজছি।” তাই আবেদন চালিয়ে গেলাম। এরপর এল পরের ৫টা না।
এইবার বিষয়টা আলাদা। মনে হচ্ছিল আমি হয়তো যোগ্য না। হয়তো আমার কাজগুলো যথেষ্ট ভালো না। হয়তো আমার চেনাজানা লোক নেই বলেই হচ্ছে এসব।

তবে, প্রতিটা ব্যর্থতার পর আমি কিছু না কিছু পরিবর্তন করতাম। ফিডব্যাক থেকে শিখতাম, পদ্ধতি পাল্টাতাম, স্কিল বাড়াতাম, আর এগিয়ে যেতাম।

ভাঙার মুহূর্ত: সবকিছু নিয়ে প্রশ্ন

১০টা না-এর পর আমি একদম ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলাম। ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে সিভি আপডেট করতাম, ইন্টারভিউয়ের প্রস্তুতি নিতাম, কোম্পানিগুলো নিয়ে রিসার্চ করতাম—তবুও প্রত্যাখ্যান। প্রতিটা “না” একটা ব্যর্থতার মতো মনে হতো।

তখন ভাবলাম—আমি কি ভুল করছি? এই পথে হাঁটা কি আমার ভুল সিদ্ধান্ত?

তারপর একদিন নিজেকে বললাম—দুটি পথ আছে:
এক, হাল ছেড়ে দেই।
দুই, লড়াইটা চালিয়ে যাই।

আমি দ্বিতীয়টাই বেছে নিলাম।

ব্যর্থতা ব্যক্তিগত কিছু নয়—এটা কেবল পেশাগত

এই সময়ে একটা জিনিস বুঝেছিলাম, যা আমাকে অনেক সাহস জুগিয়েছে—প্রত্যাখ্যান ব্যক্তিগত কিছু নয়। এটা একটা প্রক্রিয়ার অংশ। অনেক সময় তা তোমার দক্ষতার ঘাটতির কারণে নয়। হয়তো কোম্পানি একটা নির্দিষ্ট প্রোফাইল খুঁজছে। হয়তো টাইমিংটা ঠিক না। হয়তো আরেকজন তাদের চাহিদার সঙ্গে একটু বেশি মানিয়ে গেছে। এই জিনিসগুলো তোমার নিজের মূল্য বা সম্ভাবনাকে কমায় না। আমি শিখে গিয়েছিলাম, প্রত্যাখ্যানকে নিজের আত্মমূল্যের সঙ্গে মেলানো যাবে না।

প্রতিটা “না” থেকে শেখা ও উন্নতি

প্রতিটা ব্যর্থতার পর আমি লেখে রাখতাম—কি ভালো হয়েছে? কি খারাপ হয়েছে? পরেরবার কী ঠিক করতে পারি?

ইন্টারভিউয়ের পর ছোট্ট করে জিজ্ঞেস করতাম, “আপনার কোনো পরামর্শ আছে?” ফিডব্যাকগুলো থেকে শিখে, নিজের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে থাকলাম। প্রত্যাখ্যানকে আর ব্যর্থতা হিসেবে না দেখে, শেখার একটা সুযোগ হিসেবে দেখতাম।

আরেকটা জিনিস—চাকরি খোঁজা একটা অভ্যাসের মতো। যত বেশি চর্চা করো, তত বেশি দক্ষতা বাড়ে। প্রতিটা “না” আমাকে আরও ভালো প্রার্থী করে তুলেছিল।

১৫ নম্বর প্রত্যাখ্যান: শেষ নয়, শুরুর ইঙ্গিত

১৫তম “না” পাওয়ার পর মনে হচ্ছিল—হয়তো এটা আমার জন্য না। তবে আমি আবারো চেষ্টা করলাম। ১৬ নম্বর আবেদন করলাম।

এইবার, আমি বেশি ভেবেচিন্তে কাজ করিনি। নিজের ওপর সন্দেহ করিনি। ভাবলাম—যদি হয়, ভালো। যদি না হয়, আবার চেষ্টা করব। আর জানো কি হলো? এটাই ছিল সেই চাকরি, যেটা আমি পেয়ে গেলাম।

আজকের চাকরি, যেটা আমি ভালোবাসি

পেছনে তাকালে আমি কৃতজ্ঞ সেই ১৫টা “না”-এর জন্য। ওগুলো আমাকে আরও কৌশলী করে তুলেছে। আমাকে সহনশীল করে তুলেছে। আমাকে শিখিয়েছে কীভাবে উন্নতি করতে হয়, কীভাবে শেখা যায়, আর সবচেয়ে বড় কথা—হাল না ছাড়তে।

আজ আমি এমন একটা চাকরিতে আছি যা আমি ভালোবাসি। চ্যালেঞ্জিং, কিন্তু আনন্দদায়ক। প্রজেক্টগুলো আমাকে আনন্দ দেয়। আর আমি গর্বিত এই সফরের জন্য।

চালিয়ে যাও—সঠিক চাকরিটা তোমার অপেক্ষায় আছে

যদি তুমি এখনো চাকরির খোঁজে থাকো, আর একের পর এক “না” শুনে থাকো, মনে রেখো—প্রতিটা “না” তোমাকে “হ্যাঁ”-এর কাছাকাছি নিয়ে যাচ্ছে। প্রক্রিয়াটা কঠিন। কিন্তু তুমি প্রতিদিন শিখছো, বড় হচ্ছো। তোমার জন্য ঠিক উপযুক্ত চাকরিটা আছে। তবে সেখানে পৌঁছাতে গেলে কিছু ভুল পথেও হাটতে হয়। প্রতিটা “না” একটা শিক্ষার সুযোগ। এটা তোমার গল্পের শেষ নয়—এটা কেবল একটা অধ্যায়।

তাই আবেদন করতে থাকো। শিখতে থাকো। উন্নতি করতে থাকো।
তোমার “হ্যাঁ” আসছেই।

Related Post

২০২৫ সালে প্রতিটি সিএসই শিক্ষার্থীর জানা উচিত এমন শীর্ষ ৫টি টুল

প্রযুক্তি বিশ্ব দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে, আর সেই সঙ্গে পরিবর্তিত হচ্ছে কম্পিউটার সায়েন্স ও ইঞ্জিনিয়ারিং (CSE) শিক্ষার্থীদের জন্য দরকারি টুলগুলোর ধরনও।

Read More
Common Roles in A Software Team

সফটওয়্যার টীমের কোন রোলের জন্য কি কি বৈশিষ্ট্য গুরুত্বপূর্ণ তা নিয়ে নীচের আলোচনা। লক্ষ্য করলে দেখা যাবে সব রোলে সবাই

Read More
No Code Backend Platforms

ফ্লাটার এপ উইথ জিরো-কোড ব্যাকএন্ড…

যারা ব্যাক-এন্ড-এর চিন্তা বেশী না করে ফ্লাটার এপ তৈরি করতে চান তাদের জন্য ইন্টারেস্টিং কিছু

Read More
সিএসই শিক্ষার্থীদের জন্য কেন জরুরি Job-Readiness?

বর্তমান সময়ের প্রযুক্তি-চালিত বিশ্বে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য চাকরির সুযোগ অসীম। কিন্তু বাস্তবতা হলো, শুধুমাত্র ডিগ্রি অর্জন

Read More

যখন তুমি সবকিছু ঠিকভাবে করছো, তবুও একের পর এক “ধন্যবাদ, কিন্তু না” শুনতে হচ্ছে—তখন সেই অনুভূতিটা বোঝানো খুব কঠিন। আরও কঠিন হলো সেই আত্মবিশ্বাসের উপর প্রভাবটা বোঝানো, যখন তুমি অনেক বছর ধরে পরিশ্রম করে ডিগ্রি অর্জন করেছো, দক্ষতা গড়ে তুলেছো, আর নিজের পোর্টফোলিও বানিয়েছো।

কিন্তু একটা কথা—ব্যর্থতা শেষ নয়। এটা পুরো প্রক্রিয়ার একটা অংশ।

যখন আমি গ্র্যাজুয়েশনের পর চাকরির জন্য আবেদন করা শুরু করলাম, তখন আমার অনেক বড় স্বপ্ন ছিল। আমি জানতাম আমার দক্ষতা আছে। আমি জানতাম আমি অবদান রাখতে পারবো। কিন্তু আমি জানতাম না কতগুলো “না” শুনতে হবে একটা “হ্যাঁ” পাওয়ার আগে।

১৫ বার ব্যর্থ হওয়ার পর আমি ভাবতে শুরু করেছিলাম—এই পথটা কি আমার জন্য ঠিক? তবুও আমি থামিনি। এবং আমি খুশি যে থামিনি। কারণ আজ আমি এমন একটা চাকরিতে আছি যেটা আমি সত্যিই ভালোবাসি।


প্রথম দিকের ব্যর্থতা: “কেন কিছু হচ্ছে না?” 

প্রথম কয়েকটা “না” খুব বেশি কষ্ট দেয়নি। বুঝেছিলাম—এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু যখন সংখ্যা বাড়তে লাগল, তখন নিজেকে নিয়ে সন্দেহ শুরু হলো। আমার রেজুমে ঠিক ছিল। প্রজেক্ট ছিল দেখানোর মতো। গ্রেড ভালো ছিল, রেফারেন্সও ছিল। তবুও কিছুই হচ্ছিল না।

প্রথম ৫টা ব্যর্থতা একেবারে দ্রুত এসেছিল। তখন ভাবলাম, “হয়তো আমি ভুল জায়গায় খুঁজছি।” তাই আবেদন চালিয়ে গেলাম। এরপর এল পরের ৫টা না।
এইবার বিষয়টা আলাদা। মনে হচ্ছিল আমি হয়তো যোগ্য না। হয়তো আমার কাজগুলো যথেষ্ট ভালো না। হয়তো আমার চেনাজানা লোক নেই বলেই হচ্ছে এসব।

তবে, প্রতিটা ব্যর্থতার পর আমি কিছু না কিছু পরিবর্তন করতাম। ফিডব্যাক থেকে শিখতাম, পদ্ধতি পাল্টাতাম, স্কিল বাড়াতাম, আর এগিয়ে যেতাম।

ভাঙার মুহূর্ত: সবকিছু নিয়ে প্রশ্ন

১০টা না-এর পর আমি একদম ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলাম। ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে সিভি আপডেট করতাম, ইন্টারভিউয়ের প্রস্তুতি নিতাম, কোম্পানিগুলো নিয়ে রিসার্চ করতাম—তবুও প্রত্যাখ্যান। প্রতিটা “না” একটা ব্যর্থতার মতো মনে হতো।

তখন ভাবলাম—আমি কি ভুল করছি? এই পথে হাঁটা কি আমার ভুল সিদ্ধান্ত?

তারপর একদিন নিজেকে বললাম—দুটি পথ আছে:
এক, হাল ছেড়ে দেই।
দুই, লড়াইটা চালিয়ে যাই।

আমি দ্বিতীয়টাই বেছে নিলাম।

ব্যর্থতা ব্যক্তিগত কিছু নয়—এটা কেবল পেশাগত

এই সময়ে একটা জিনিস বুঝেছিলাম, যা আমাকে অনেক সাহস জুগিয়েছে—প্রত্যাখ্যান ব্যক্তিগত কিছু নয়। এটা একটা প্রক্রিয়ার অংশ। অনেক সময় তা তোমার দক্ষতার ঘাটতির কারণে নয়। হয়তো কোম্পানি একটা নির্দিষ্ট প্রোফাইল খুঁজছে। হয়তো টাইমিংটা ঠিক না। হয়তো আরেকজন তাদের চাহিদার সঙ্গে একটু বেশি মানিয়ে গেছে। এই জিনিসগুলো তোমার নিজের মূল্য বা সম্ভাবনাকে কমায় না। আমি শিখে গিয়েছিলাম, প্রত্যাখ্যানকে নিজের আত্মমূল্যের সঙ্গে মেলানো যাবে না।

প্রতিটা “না” থেকে শেখা ও উন্নতি

প্রতিটা ব্যর্থতার পর আমি লেখে রাখতাম—কি ভালো হয়েছে? কি খারাপ হয়েছে? পরেরবার কী ঠিক করতে পারি?

ইন্টারভিউয়ের পর ছোট্ট করে জিজ্ঞেস করতাম, “আপনার কোনো পরামর্শ আছে?” ফিডব্যাকগুলো থেকে শিখে, নিজের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে থাকলাম। প্রত্যাখ্যানকে আর ব্যর্থতা হিসেবে না দেখে, শেখার একটা সুযোগ হিসেবে দেখতাম।

আরেকটা জিনিস—চাকরি খোঁজা একটা অভ্যাসের মতো। যত বেশি চর্চা করো, তত বেশি দক্ষতা বাড়ে। প্রতিটা “না” আমাকে আরও ভালো প্রার্থী করে তুলেছিল।

১৫ নম্বর প্রত্যাখ্যান: শেষ নয়, শুরুর ইঙ্গিত

১৫তম “না” পাওয়ার পর মনে হচ্ছিল—হয়তো এটা আমার জন্য না। তবে আমি আবারো চেষ্টা করলাম। ১৬ নম্বর আবেদন করলাম।

এইবার, আমি বেশি ভেবেচিন্তে কাজ করিনি। নিজের ওপর সন্দেহ করিনি। ভাবলাম—যদি হয়, ভালো। যদি না হয়, আবার চেষ্টা করব। আর জানো কি হলো? এটাই ছিল সেই চাকরি, যেটা আমি পেয়ে গেলাম।

আজকের চাকরি, যেটা আমি ভালোবাসি

পেছনে তাকালে আমি কৃতজ্ঞ সেই ১৫টা “না”-এর জন্য। ওগুলো আমাকে আরও কৌশলী করে তুলেছে। আমাকে সহনশীল করে তুলেছে। আমাকে শিখিয়েছে কীভাবে উন্নতি করতে হয়, কীভাবে শেখা যায়, আর সবচেয়ে বড় কথা—হাল না ছাড়তে।

আজ আমি এমন একটা চাকরিতে আছি যা আমি ভালোবাসি। চ্যালেঞ্জিং, কিন্তু আনন্দদায়ক। প্রজেক্টগুলো আমাকে আনন্দ দেয়। আর আমি গর্বিত এই সফরের জন্য।

চালিয়ে যাও—সঠিক চাকরিটা তোমার অপেক্ষায় আছে

যদি তুমি এখনো চাকরির খোঁজে থাকো, আর একের পর এক “না” শুনে থাকো, মনে রেখো—প্রতিটা “না” তোমাকে “হ্যাঁ”-এর কাছাকাছি নিয়ে যাচ্ছে। প্রক্রিয়াটা কঠিন। কিন্তু তুমি প্রতিদিন শিখছো, বড় হচ্ছো। তোমার জন্য ঠিক উপযুক্ত চাকরিটা আছে। তবে সেখানে পৌঁছাতে গেলে কিছু ভুল পথেও হাটতে হয়। প্রতিটা “না” একটা শিক্ষার সুযোগ। এটা তোমার গল্পের শেষ নয়—এটা কেবল একটা অধ্যায়।

তাই আবেদন করতে থাকো। শিখতে থাকো। উন্নতি করতে থাকো।
তোমার “হ্যাঁ” আসছেই।

Related Post

সিএসই শিক্ষার্থীদের জন্য কেন জরুরি Job-Readiness?

বর্তমান সময়ের প্রযুক্তি-চালিত বিশ্বে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য চাকরির সুযোগ অসীম। কিন্তু বাস্তবতা হলো, শুধুমাত্র ডিগ্রি অর্জন

Read More
প্রোগ্রামারদের শপথ: একজন প্রকৃত কোডারের নৈতিক দায়িত্ব

প্রযুক্তি জগতে প্রোগ্রামাররা একপ্রকার আধুনিক স্থপতি। তারা ভবিষ্যতের ভিত্তি নির্মাণ করেন প্রতিটি কোডের লাইনের মাধ্যমে। কিন্তু, শুধু দক্ষতা ও জ্ঞান

Read More
Scroll to Top